ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

পল্লী বিদ্যুতের পুবাইল জোনাল অফিস দালাল চক্রের কব্জায়


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫

পল্লী বিদ্যুতের পুবাইল জোনাল অফিস দালাল চক্রের কব্জায়

গত ৫ আগস্টের পর থেকে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এক-এর পুবাইল জোনাল অফিস সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতি ও দালাল চক্রের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। অভিযোগ উঠেছে, অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে এই দালালরা দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। এমনকি অফিসের দারোয়ান থেকে অফিস পিয়ন পর্যন্ত সবাই মিটারের দালালি করে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা নিয়ে অফিসে গেলে প্রথমে দালালদের সাথে কথা বলতে হয়, তারপর কর্মকর্তারা সাড়া দেন। সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অফিসারদের সামনেই দালালরা বসে থাকেন।

এই দালালদের পেছনে অত্র অফিসের এজিএম (কম) ও জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ গ্রাহকরা নতুন মিটারের আবেদন করলে পাঁচ মাসেও মিটার পাচ্ছেন না, অথচ দালালদের মাধ্যমে আবেদন করলে সেই কাজ খুব দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে এবং তাদের কোনো সিরিয়ালের প্রয়োজন হয় না। যেখানে অন্যান্য অফিসে নতুন মিটার আবেদন করলে এক মাসের মধ্যে সংযোগ দেওয়া হয়, সেখানে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান যে তাঁর অফিসে মিটার নেই। মিটার পরিবর্তনের টাকা জমা দিয়েও মাসের পর মাস গ্রাহকদের ঘুরতে হচ্ছে। গ্রাহক যেমন হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তেমনি আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাদের সাথে কথা বললে গ্রাহক রীতিমতো হুমকি পাচ্ছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া এই অফিসে ভুতুড়ে বিল যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে, যার কোনো সমাধান পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা।

সাধারণ গ্রাহকরা হয়রানি মুক্ত পল্লী বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এ সমস্ত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


পল্লী বিদ্যুতের পুবাইল জোনাল অফিস দালাল চক্রের কব্জায়

প্রকাশের তারিখ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

গত ৫ আগস্টের পর থেকে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এক-এর পুবাইল জোনাল অফিস সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতি ও দালাল চক্রের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। অভিযোগ উঠেছে, অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে এই দালালরা দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। এমনকি অফিসের দারোয়ান থেকে অফিস পিয়ন পর্যন্ত সবাই মিটারের দালালি করে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা নিয়ে অফিসে গেলে প্রথমে দালালদের সাথে কথা বলতে হয়, তারপর কর্মকর্তারা সাড়া দেন। সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অফিসারদের সামনেই দালালরা বসে থাকেন।

এই দালালদের পেছনে অত্র অফিসের এজিএম (কম) ও জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ গ্রাহকরা নতুন মিটারের আবেদন করলে পাঁচ মাসেও মিটার পাচ্ছেন না, অথচ দালালদের মাধ্যমে আবেদন করলে সেই কাজ খুব দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে এবং তাদের কোনো সিরিয়ালের প্রয়োজন হয় না। যেখানে অন্যান্য অফিসে নতুন মিটার আবেদন করলে এক মাসের মধ্যে সংযোগ দেওয়া হয়, সেখানে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান যে তাঁর অফিসে মিটার নেই। মিটার পরিবর্তনের টাকা জমা দিয়েও মাসের পর মাস গ্রাহকদের ঘুরতে হচ্ছে। গ্রাহক যেমন হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তেমনি আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাদের সাথে কথা বললে গ্রাহক রীতিমতো হুমকি পাচ্ছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া এই অফিসে ভুতুড়ে বিল যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে, যার কোনো সমাধান পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা।

সাধারণ গ্রাহকরা হয়রানি মুক্ত পল্লী বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এ সমস্ত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ