কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে সেন্টমার্টিন থেকে শাহপরীর দ্বীপে ফেরার পথে একটি যাত্রীবাহী স্পিডবোট উল্টে মা–মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে দশটার দিকে শাহপরীর দ্বীপের ঘোলাচর এলাকার কাছাকাছি পৌঁছালে স্পিডবোটটি হঠাৎ উল্টে যায়। এতে স্পিডবোটে থাকা আট যাত্রী সাগরে পড়ে আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন সেন্টমার্টিনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা মাহফুজ রহমানের স্ত্রী মরিয়ম বেগম ও তাঁদের চার বছরের শিশু কন্যা মায়মা। দুর্ঘটনার পর সবাইকে দ্রুত উদ্ধার করা হলেও গুরুতর আহত অবস্থায় মরিয়ম ও মায়মাকে টেকনাফ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া আহত আটজন যাত্রীর মধ্যে আরও দু’জন অসুস্থ হয়ে পড়েন; তবে বাকিদের শারীরিক অবস্থা ভালো রয়েছে বলে জানা গেছে।
[caption id="attachment_28162" align="aligncenter" width="800"]
২৬ জন জীবিত উদ্ধার।[/caption]
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, ঘোলাচর এলাকায় স্পিডবোট ডুবে যাওয়া এবং মা–মেয়ের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তদন্তের মাধ্যমে দুর্ঘটনার কারণ যাচাই করা হবে বলে তিনি জানান। স্থানীয়দের ধারণা, সাগরে ঢেউ থাকায় স্পিডবোটটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যেতে পারে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
উল্লেখ্য, আজ সোমবার সকাল থেকেই চলতি মৌসুমে কক্সবাজার থেকে প্রথমবারের মতো সেন্ট মার্টিনগামী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে তিনটি জাহাজে এক হাজার একশত চুয়াত্তর জন পর্যটক দ্বীপে যান। আগামী দুই মাস ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের রাত্রিযাপন করার অনুমতি থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে সেন্টমার্টিন থেকে শাহপরীর দ্বীপে ফেরার পথে একটি যাত্রীবাহী স্পিডবোট উল্টে মা–মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে দশটার দিকে শাহপরীর দ্বীপের ঘোলাচর এলাকার কাছাকাছি পৌঁছালে স্পিডবোটটি হঠাৎ উল্টে যায়। এতে স্পিডবোটে থাকা আট যাত্রী সাগরে পড়ে আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন সেন্টমার্টিনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা মাহফুজ রহমানের স্ত্রী মরিয়ম বেগম ও তাঁদের চার বছরের শিশু কন্যা মায়মা। দুর্ঘটনার পর সবাইকে দ্রুত উদ্ধার করা হলেও গুরুতর আহত অবস্থায় মরিয়ম ও মায়মাকে টেকনাফ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া আহত আটজন যাত্রীর মধ্যে আরও দু’জন অসুস্থ হয়ে পড়েন; তবে বাকিদের শারীরিক অবস্থা ভালো রয়েছে বলে জানা গেছে।
[caption id="attachment_28162" align="aligncenter" width="800"]
২৬ জন জীবিত উদ্ধার।[/caption]
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, ঘোলাচর এলাকায় স্পিডবোট ডুবে যাওয়া এবং মা–মেয়ের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তদন্তের মাধ্যমে দুর্ঘটনার কারণ যাচাই করা হবে বলে তিনি জানান। স্থানীয়দের ধারণা, সাগরে ঢেউ থাকায় স্পিডবোটটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যেতে পারে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
উল্লেখ্য, আজ সোমবার সকাল থেকেই চলতি মৌসুমে কক্সবাজার থেকে প্রথমবারের মতো সেন্ট মার্টিনগামী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে তিনটি জাহাজে এক হাজার একশত চুয়াত্তর জন পর্যটক দ্বীপে যান। আগামী দুই মাস ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের রাত্রিযাপন করার অনুমতি থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন