রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দুজনই বিদেশে অবস্থান করছেন। তাঁর দাবি, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক ও নৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের একাংশ ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। তাঁর মতে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাঁদের দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বিরোধী দলগুলোর ভূমিকারও সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত হত্যাকাণ্ডের বিচারে বিরোধী দলগুলোর তৎপরতা যথেষ্ট নয়। তাদের কাছে ক্ষমতায় যাওয়ার রাজনৈতিক হিসাবই প্রধান বিবেচ্য। জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, রাজনৈতিক সুবিধা পেলে দলটি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও সমঝোতায় যেতে পারে। তবে এগুলো রাশেদ খাঁনের রাজনৈতিক মূল্যায়ন ও অভিযোগ। এগুলো সংশ্লিষ্ট দলগুলোর আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয়।
কবর জিয়ারতের পর রাশেদ খাঁন নিহত ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান রাব্বীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি নিহতের মা, স্ত্রী ও সন্তানদের সমবেদনা জানান এবং হত্যার বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দেন।
এ সময় স্থানীয় বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চললেও প্রত্যাবর্তন নিয়ে নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তথ্য মেলেনি। রাশেদ খাঁনের বক্তব্যের পর বিষয়টি আবার রাজনৈতিক আলোচনায় এসেছে।








