রাজধানী ঢাকায় লোডশেডিং ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় এনে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান সামাল দিতে রাজধানীর পাশাপাশি অন্যান্য শহরেও পরিকল্পিতভাবে লোডশেডিং করে সাশ্রয় হওয়া বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলে পুনর্বণ্টনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিদ্যুতের ঘাটতির চাপ তুলনামূলকভাবে গ্রামাঞ্চলে বেশি পড়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্য আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষি, সেচ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে গ্রামীণ এলাকায় সরবরাহ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নতুন ব্যবস্থাপনায় ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা বিবেচনা করে লোডশেডিং সমন্বয় করা হবে। এর ফলে রাজধানীর গ্রাহকদেরও কিছু সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মুখে পড়তে হতে পারে। তবে কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় যেন অতিরিক্ত চাপ না পড়ে, সেদিকে নজর রেখে সরবরাহ ব্যবস্থাপনার কথা বলা হয়েছে।
দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লেও জ্বালানি সরবরাহ, উৎপাদন ব্যয় এবং বিভিন্ন কেন্দ্রের উৎপাদন পরিস্থিতির কারণে চাহিদা অনুযায়ী সব সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে চাহিদার সর্বোচ্চ সময়ে ঘাটতি তৈরি হলে বিতরণ সংস্থাগুলোকে লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়।
গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। এ পরিস্থিতিতে রাজধানী ও বড় শহরের সঙ্গে গ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহে ভারসাম্য আনতে পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে লোডশেডিং কতক্ষণ হবে এবং কোন কোন এলাকায় নতুন ব্যবস্থাপনার প্রভাব পড়বে, তা বিদ্যুতের দৈনিক উৎপাদন, চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।








