চার বছরের মধ্যে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে সরকার
৪ বছরের লক্ষ্য—দেশে থাকবে না পথশিশু ও ভিক্ষুক, জানালেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী, শুধু পুনর্বাসন নয়, শিক্ষা-মানসিক বিকাশেও নতুন পরিকল্পনা পথশিশুদের জন্য
মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. জানিয়েছেন যে, আগামী চার বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এজেডএম জাহিদ হোসেন।বুধবার শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত একটি সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন। মন্ত্রীর বক্তব্য অনুসারে, কেবল পথশিশুদের স্কুলে ভর্তি করানো বা তাদের তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করাই যথেষ্ট নয়; বরং তাদের মানসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। BSSতিনি আরও জানান যে, মন্ত্রণালয়ের অধীনে পথশিশুদের নিয়ে কাজ করার জন্য একটি বিশেষ শাখা বিদ্যমান রয়েছে এবং সেই শাখাটিকে আরও বেশি শক্তিশালী করে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরও মূলধারার শিশুদের মতোই শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও বিকাশের সুযোগের আওতায় নিয়ে আসা। এছাড়া বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শিশু উন্নয়ন কর্মসূচি সমন্বিত করার বিষয়েও মন্ত্রী কথা বলেছেন। BSSডা. জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেন যে, ভবিষ্যতে যেন ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠী’ শব্দটি আর ব্যবহার করতে না হয়—সেই লক্ষ্যে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা প্রয়োজন। শিশু নির্যাতন ও সহিংসতা প্রতিরোধে কেবল আইন প্রণয়ন করাই যথেষ্ট নয়; বরং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সব স্তরকে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। BSSতবে চার বছরের মধ্যে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কতজন মানুষকে পুনর্বাসন করা হবে, কত অর্থ বরাদ্দ রাখা হবে এবং কোন সময়সূচি অনুযায়ী কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে—সে সম্পর্কিত পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।








