স্বাস্থ্য

আমূল বদলের অপেক্ষায় শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

কিশোরগঞ্জ ও হাওরাঞ্চলসহ আশপাশের কয়েকটি জেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম ভরসা ৫০০ শয্যার শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। তবে জনবল সংকট, আধুনিক যন্ত্রপাতির ঘাটতি এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

⎙ প্রিন্ট
আমূল বদলের অপেক্ষায় শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

কিশোরগঞ্জ ও হাওরাঞ্চলসহ আশপাশের কয়েকটি জেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম ভরসা ৫০০ শয্যার শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। তবে জনবল সংকট, আধুনিক যন্ত্রপাতির ঘাটতি এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব সংকটের কথা তুলে ধরেন হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম।

তিনি জানান, প্রতিদিন হাসপাতালের ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। কিন্তু চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ানসহ বিভিন্ন পদ শূন্য থাকায় সীমিত জনবল দিয়ে বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিতে হচ্ছে।

হাসপাতালে ক্যাথল্যাব না থাকায় এনজিওগ্রাম, স্টেন্টিং ও জরুরি পেসমেকার স্থাপনের প্রয়োজন হলে হৃদরোগীদের ঢাকা বা ময়মনসিংহে পাঠাতে হচ্ছে। এ কারণে দ্রুত একটি ক্যাথল্যাব স্থাপনের দাবি জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ডায়ালাইসিস সেবাতেও রয়েছে সংকট। তিন শিফটে সেবা চালু থাকলেও মেশিনের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় কম। কর্তৃপক্ষের হিসাবে প্রায় ২০০ কিডনি রোগী ডায়ালাইসিসের অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন।

এ ছাড়া এমআরআই, সি-আর্ম, অ্যান্ডোস্কোপি ও কলোনোস্কপি সেট এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জিক্যাল মেশিন সরবরাহের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি, ইউরোলজি, নিউরোসার্জারি ও আধুনিক জরুরি বিভাগ চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের জন্য ডেডিকেটেড বিদ্যুৎ লাইন, স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প, পর্যাপ্ত আনসার সদস্য মোতায়েন, ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এবং সামনের সড়ক প্রশস্ত করার দাবিও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রয়োজনীয় জনবল ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করা গেলে কিশোরগঞ্জসহ আশপাশের কয়েকটি জেলার রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা বা অন্যত্র যাওয়ার প্রয়োজন অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ