ঢাকা    বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মোঃ হাফিজুর রহমান বাবলু

মোঃ হাফিজুর রহমান বাবলু

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ, উল্লাপাড়া


নির্বাচনী জোয়ারে ভেসে যাচ্ছে দেশ–বিদেশী চক্রের চক্রান্তের দেয়াল গ্রাম গঞ্জে বইছে ঈদের আমেজ

সব জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জনকে ছাপিয়ে, দেশি-বিদেশি চক্রের নানা চক্রান্ত মোকাবিলা করে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী জোয়ার আছড়ে পড়েছে শহর থেকে গ্রাম, হাট-বাজার ও প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত। ট্রেন, বাস ও লঞ্চে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় এখন চোখে পড়ার মতো। উপজেলা, গ্রাম ও মহল্লার বাজারগুলোতে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য।আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন। কয়েক দিন আগেও রাজধানী ঢাকায় নানা দাবি-দাওয়ার প্রেক্ষিতে এক ধরনের অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তখন অনেকের মনেই নির্বাচন নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। তবে গত কয়েক দিনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতায় সেই সংশয় অনেকটাই কেটে গেছে।সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরেছে যে, এবার বর্তমান সরকার একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে চায়। সেই ধারণার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে জনসাধারণের চলাচল, আলোচনা ও ভোটকেন্দ্র ঘিরে আগ্রহের মধ্য দিয়ে।নির্বাচনকে ঘিরে সরকার, প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা ও সশস্ত্র বাহিনীর সব বিভাগ সম্মিলিতভাবে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর ফলে মাঠপর্যায়ে নির্বাচনী আমেজ ও উৎসাহ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।উল্লাপাড়া উপজেলায় দুদিন আগেও জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, গোয়েন্দা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা স্বচ্ছ ও সফল নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে আশাবাদী বার্তা দেন।আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিভাগীয় কমিশনার ও বিভাগীয় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপজেলা সদরে সরকারি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নির্বাচন সংক্রান্ত বৈঠক করেন।সবকিছু মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, সরকারের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রস্তুতি উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা সব স্তরের কর্মকর্তা ও সদস্যদের ওপর।প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং এজেন্ট, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের মধ্যে কাজের প্রতি স্বস্তি, আত্মবিশ্বাস ও দেশাত্মবোধ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।বাগমারা কলেজের প্রভাষক ও এবারের প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুস সালাম বলেন, “আগে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করে যে সম্মানী পাওয়া যেত, তা নিয়ে মনের ভেতর অপরাধবোধ কাজ করত। মনে হতো একজন শিক্ষক হিসেবে দেশের ক্ষতি করছি। কিন্তু এবার প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রেরণায় আমরা উজ্জীবিত। মনে হচ্ছে, স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি মহৎ কাজে অংশ নিচ্ছি।”

নির্বাচনী জোয়ারে ভেসে যাচ্ছে দেশ–বিদেশী চক্রের চক্রান্তের দেয়াল গ্রাম গঞ্জে বইছে ঈদের আমেজ