সারাদেশ

কেরুর ডিস্টিলারি বিভাগে নিম্নমানের কার্টন সরবরাহের অভিযোগ:

প্রিন্ট
কেরুর ডিস্টিলারি বিভাগে নিম্নমানের কার্টন সরবরাহের অভিযোগ:

কেরুর ডিস্টিলারি বিভাগে নিম্নমানের কার্টন সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে সাউথটেক কোম্পানির বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে অবশেষে ফেরত দেওয়া হয়েছে কার্টন সরবরাহকারী সাউথটেক কোম্পানির ট্রাকভর্তি মালামাল। দেশের ঐতিহ্যবাহী চিনিশিল্প প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোং (বাংলাদেশ) লিমিটেডে চিনি উৎপাদন কারখানার পাশাপাশি উৎপাদিত হয় বিভিন্ন প্রজাতির মদ (অ্যালকোহল)। এই বোতলগুলো প্রক্রিয়াজাত ও বাজারজাত করতে কার্টন ব্যবহার করা হয়। আর কার্টন সরবরাহের জন্য প্রতি অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দরপত্র/বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী কার্টন সরবরাহের কাজ পায় ঢাকার সাউথটেক কোম্পানি।তবে মালামাল সরবরাহের শুরু থেকেই নিম্নমানের কার্টন সরবরাহের অভিযোগ উঠতে থাকে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একাধিকবার নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সাউথটেক কোম্পানি নিম্নমানের কার্টন সরবরাহ অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় কার্টনভর্তি একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-১৪-৬০৩০) গত বৃহস্পতিবার দর্শনা কেরুর ডিস্টিলারি বিভাগে এসে পৌঁছায়। মালামাল আনলোড করার সময় কার্টনের মান নিম্নমানের পরিলক্ষিত হওয়ায় তা গ্রহণ না করে ফেরত পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, শেষ পর্যন্ত কি ট্রাকে থাকা এসব নিম্নমানের কার্টন ডিস্টিলারি বিভাগে খালাস করা হবে, নাকি পুরোপুরি ফেরত পাঠানো হবে?
এ বিষয়ে কার্টন সরবরাহকারী সাউথটেক কোম্পানির এক্সিকিউটিভ অফিসার সাইফুল ইসলাম তপন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “বর্তমানে ফ্যাক্টরিতে গ্যাসসংকটের কারণে কার্টনগুলো কিছুটা নরম হয়েছে। দু-একদিন গুদামে রাখা হলে এগুলো ঠিক হয়ে যাবে।”
অন্যদিকে কেরুর মহাব্যবস্থাপক (জিএম-ডিস্টিলারি) রাজিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা কোম্পানির কার্টনের মান ভালো নয়। সে কারণেই এসব কার্টন গ্রহণ না করে ফেরত দেওয়া হয়েছে।”

সম্পর্কিত সংবাদ