দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক উপশহর দোহাজারী পৌরসভার পরিবেশ সুরক্ষা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে দোহাজারী নাগরিক কমিটি। ‘সুন্দর পৃথিবী গড়ার প্রত্যয়ে, গাছ লাগাবো দলমত নির্বিশেষে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে দোহাজারী রেলওয়ে স্টেশনের সড়কদ্বীপে বিভিন্ন প্রজাতির সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ।
আয়োজকরা জানান, দোহাজারী রেলওয়ে স্টেশন ইতোমধ্যে স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দর্শনার্থীদের কাছে একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে স্টেশন ও আশপাশের এলাকা ঘুরতে আসেন। এ কারণে স্টেশন এলাকার সৌন্দর্য আরও বাড়াতে পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তাদের লক্ষ্য, দোহাজারী রেলওয়ে স্টেশনের চারপাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে এলাকাটিকে আরও নান্দনিক করে তোলা। একই সঙ্গে স্টেশনটিকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের একটি আকর্ষণীয় ও প্রাকৃতিক আইকনিক স্থানে রূপ দেওয়ার প্রত্যাশা করছেন তারা।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমেদ।
এ সময় আয়োজকরা বলেন, শুধু এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি নয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য দোহাজারী গড়ে তোলার মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই এ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
দোহাজারী নাগরিক কমিটির সভাপতি মো. আলী আকবরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি জয়নুল আলম, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন জনি, উপদেষ্টা ড. এস এম আবু জাকের ও আব্দুল নবী খান।
প্রচার সম্পাদক জাবের বিন রহমান আরজুর সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আবু তৈয়ব, যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার উদ্দিন সুমন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বিষ্ণুযশা চক্রবর্তী, মাওলানা আবদুল গফুর রব্বানী, কলিম উল্লাহ্, আনিসুল রহমান, আরিফুল ইসলাম সুমন, মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, মোহাম্মদ সোহেল, মহিন বাদশাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
কর্মসূচি শেষে দোহাজারী রেলওয়ে স্টেশনসহ পৌর এলাকার পরিবেশ আরও সবুজ, সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দোহাজারী নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ।








