গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর আলোচিত রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হরিদাস চন্দ্র দাসকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও বিভিন্ন মাধ্যমে একাধিক গুরুতর দাবি প্রচারিত হচ্ছে। তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও প্রকাশিত হয়নি।প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, সদ্য গ্রেপ্তার হরিদাস চন্দ্র দাস জিজ্ঞাসাবাদে কথিত একজন ব্যক্তি, যাকে M.B.S. নামে উল্লেখ করা হয়েছে, তার সঙ্গে পরিচয় থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ২০২৪ সাল থেকে তাদের পরিচয় এবং ২০২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে পলাশবাড়ী, মনোহরপুর, দিঘলকান্দি, মানিকগঞ্জ ও বান্দরবানের লামাসহ বিভিন্ন স্থানে তাদের একাধিক বৈঠকের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।এছাড়া প্রচারিত তথ্যে দাবি করা হয়েছে, গত মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের পেছনে একটি চা-দোকানে হরিদাস ও কথিত M.B.S.-কে একসঙ্গে দেখা যায়। নজরদারি এড়াতে তারা কখনও কদমতলা মোড়ের একটি ফার্মেসির চিকিৎসক চেম্বারেও অবস্থান করতেন বলেও দাবি করা হয়েছে।আরও বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে একটি মোটরসাইকেলে করে দুজনকে মনোহরপুর এলাকার একটি কাঁচা সড়কে অবস্থান করতে দেখা যায়। পরে তারা কিশোরগাড়ীর দিকে চলে যান এবং সেদিন রাতে দিঘলকান্দি এলাকায় অবস্থান করেন। পরদিন কথিত M.B.S. হিলি সীমান্ত দিয়ে ভারত যান এবং কয়েক দিন পর ফিরে এসে নির্মাণাধীন রাম মন্দিরসংলগ্ন একটি ভবনে অবস্থান করেন বলেও দাবি করা হয়েছে।প্রচারিত তথ্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২৯ এপ্রিল মানিকগঞ্জে হরিদাস চন্দ্র দাস, রাম মন্দির কমিটির কয়েক সদস্য এবং কথিত M.B.S.-এর মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে বান্দরবানের লামায় আরেকটি সাক্ষাতের দাবিও করা হয়েছে।তবে এসব তথ্যের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আদালত বা সংশ্লিষ্ট কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে প্রচারিত দাবিগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা তদন্তের অগ্রগতি প্রকাশিত হলে সে অনুযায়ী পরবর্তী তথ্য জানানো হবে।