ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

নারী ও শিশু

গলাচিপায় পরকিয়া কারণে শেষ হল নিলুফার সাজানো সংসার।

বিয়ের ১৮ বছর পরে পরকিয়া করতে গিয়ে দুই সন্তানের জননী নিলুফা বেগম স্বামীকে তালাক দিয়ে দুটি সন্তান রেখে স্বামীর টাকা পয়সা নিয়ে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যায়। প্রেমিকের সাথে বিয়ে হওয়ার এক মাসের মাথায় সে বিবাহটিও বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলাধীন কলাগাছিয়া ইউনিয়নের কল্যাণ কলস গ্রামে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, কল্যান কলস গ্রামের মৃত: মোবারক হাওলাদার এর পুত্র মোঃ রফিক হাওলাদার (৩৫) এর সাথে একই উপজেলার বকুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া গ্রামের শানু হাওলাদারের কন্যা মোসা: নিলুফা বেগম (৩০) এর সাথে আনুমানিক ১৮-২০ বছর পূর্বে ইসলাম ধর্মের বিধান মোতাবেক রেজিস্ট্রি কাবিন এর মাধ্যমে উভয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ফারজানা (২০) ও ফাতেমা (৮) নামে তাদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে।বড় মেয়েটি বিবাহ হয়েছে ছোট মেয়েটির বয়স ১০ বছর। সংসারের অভাব অনটনের কারণে নিলুফা দম্পতি জীবনের তাগিদে  নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন আর স্বামী রিক্সা চালাত এবং স্ত্রী নিলুফা  গার্মেন্টসে কাজ করিয়া জীবিকা নির্বাহ করতেন। । কিন্তু কিছু দিন পরে রফিকের স্ত্রী নিলুফা বেগম শরীয়তপুরের বাবুর নামে এক লোকের সাথে গভীর পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হয়ে পড়ে।   এ ঘটনা রফিক জানতে পেরে স্ত্রী নিলুফা বেগমকে একাধিকবার নিষেধ করেন কিন্তু নিলুফা তাহা মেনে নিতে পারেনি। রফিক আরও অভিযোগ করেন, তার স্ত্রীর পরকীয়া সহযোগিতা করতেন নিলুফার ছোট ভগ্নিপতি আব্দুর রহমান পালোয়ান।রফিক আরও জানায়, সে স্ত্রীকে শাসন করিলে রহমান তা জানতে পেরে কয়েকবার ঢাকাতে গিয়ে হত্যার হুমকি দেয়। রহমানের কাছে হুমকির কথা জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।এ ঘটনা রফিক এর বড় মেয়ে লাইলী বেগম জানতে পেরে তার পিতার জীবন বাঁচাতে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন।অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, পরকীয়া প্রেমিক বাবুলের সাথে নিলুফার বিয়ে এক মাসের মাথায় ভেঙ্গে যায়। মূল রহস্য উদঘাটন করার জন্য সাংবাদিক টিম রহমানের বাড়িতে গিয়ে নিলুফার কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রফিকের সাথে তার বিয়ে হয়েছে ১৮-২০ বছর পূর্বে। কিন্তু রফিকের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিন দিন ঝগড়া লেগে থাকে এবং রফিক তাকে প্রায় সময় নির্যাতন করে এ জন্য তাকে তালাক দিয়েছে। রফিকের টাকা পয়সা আত্মসাত করার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমি এনজিও থেকে ঋণ করেছি রফিক সে টাকা নিয়ে যায়। নিলুফার পিছনের সকল দোষ ক্ষমা করে দিয়ে প্রথম স্বামী রফিক তাকে পুনরায় বিয়ে করে ঘর সংসার করতে চাইলে নিলুফার তাতে সম্মতি আছে কি-না? যেহেতু রফিকের কাছে তার একটি শিশু সন্তান রয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নিলুফা প্রথমে অসম্মতি জানায় এবং পরক্ষনে বলে আমি একটু চিন্তা করে জানাবো। এর কিছুদিন পরে সে জানিয়ে দেয় তার পক্ষে পুনরায় রফিকের সাথে ঘর সংসার করা সম্ভব না। এ সংক্রান্তে নিলুফার সাবেক দ্বিতীয় স্বামী বাবুল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। নিলুফার প্রথম   স্বামী রফিকের একটাই দাবি  তিনি পুনরায় তার সাথে আবার সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সংসার করতে চায়।

গলাচিপায় পরকিয়া কারণে শেষ হল  নিলুফার সাজানো সংসার।