ঢাকা    শনিবার, ০২ মে ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, উদ্বোধন করবেন ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো আজ (২ মে) সিলেট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উন্নয়ন, ক্রীড়া ও ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে এই সফরকে ঘিরে সিলেটজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে নতুন প্রজন্মের জন্য বিশেষ ক্রীড়া উদ্যোগ ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর উদ্বোধন। শনিবার সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন তিনি। ফুটবল, ক্রিকেট ও কাবাডিসহ মোট আটটি ডিসিপ্লিনে তরুণরা অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে বলে জানা গেছে।সরকারি সূত্র জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতিকে আরও বিস্তৃত করা এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা তুলে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়, কোচ ও ক্রীড়া সংগঠকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।সফরকালে প্রধানমন্ত্রী একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পেরও উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প এবং কান্দিগাঁও এলাকায় বাসিয়া খাল খনন কার্যক্রম। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সিলেট শহরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে।সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন এবং সেখানে মোনাজাতে অংশ নেবেন। ধর্মীয় ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় এই অংশটি সফরের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে সিলেটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সিলেটের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচলে যাতে কোনো ভোগান্তি না হয়, সে বিষয়েও বিশেষ নজর রাখা হয়েছে।সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। দলীয় নেতাকর্মীরা এটিকে উন্নয়ন ও সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত হিসেবে দেখছেন। সিলেট বিএনপির এক নেতা বলেন, অতীতেও এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের সফর হয়েছে এবং এবারও জনগণ এ সফরকে ঘিরে আশাবাদী।স্থানীয় ক্রীড়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে তরুণ খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। এটি ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন তারা।সিলেট সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।

সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, উদ্বোধন করবেন ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’
বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৬ সালের বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রকাশিত বার্ষিক এ তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এ স্বীকৃতি তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। টাইম ম্যাগাজিনে তারেক রহমানকে নিয়ে মুখবন্ধ লিখেছেন ম্যাগাজিনটির সিঙ্গাপুর ব্যুরো অফিসের সম্পাদক ও ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক চার্লি ক্যাম্পবেল। সেখানে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা, তারেক রহমানের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এবং ক্ষমতায় আসার প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়। মুখবন্ধে বলা হয়, কয়েক মাস আগেও দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকার পর ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন। বিরোধী রাজনীতির একজন নেতা থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসা তার জন্য বড় রূপান্তর হিসেবে উল্লেখ করা হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বড় জয় অর্জনের মাধ্যমে তিনি ১৭ বছর পর দেশে ফেরেন এবং সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেন। এ বিজয়কে তার রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখেছে আন্তর্জাতিক মহল। একই সঙ্গে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু ব্যক্তিগতভাবে তাকে গভীর শোকের মধ্যে ফেলে। টাইমকে দেওয়া জানুয়ারির এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, তিনি ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে চান। রাজনৈতিক বিভাজন কমিয়ে নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করাই তার অন্যতম লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সামনে বিদ্যমান নানা অর্থনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জও তুলে ধরা হয়। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, যুব বেকারত্ব, বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনকে তাৎক্ষণিক সমাধানযোগ্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৭ কোটির বেশি মানুষের দেশের জন্য এসব সংকট মোকাবিলা নতুন সরকারের সামনে বড় পরীক্ষা বলেও মন্তব্য করা হয়। টাইমের ভাষ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের রাজনৈতিক যাত্রা সহজ ছিল না। অতীতে তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছিল, যদিও আদালতে সেসব অভিযোগ খারিজ হয়েছে। তবুও তার নেতৃত্বের শুরুর সময়ে এ বিষয়গুলো আলোচনায় থাকতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে একই সঙ্গে ম্যাগাজিনটি বলেছে, দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তিনি দ্রুত কাজ শুরু করতে আগ্রহী এবং সময় নষ্ট করতে চান না। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, অর্থনীতি স্থিতিশীল করা এবং রাজনৈতিক সমঝোতার পরিবেশ তৈরির বিষয়গুলো তার সরকারের জন্য অগ্রাধিকার হতে পারে। বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রতিবছর রাজনীতি, ব্যবসা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সামাজিক নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের স্থান দেয় টাইম ম্যাগাজিন। এ তালিকায় অন্তর্ভুক্তি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যক্তির প্রভাব ও গুরুত্বের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশের একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এ অন্তর্ভুক্তি দেশের রাজনীতিকে বৈশ্বিক আলোচনায় নতুনভাবে সামনে এনেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বাংলাদেশের চলমান পরিবর্তন ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতিও আন্তর্জাতিক আগ্রহের প্রতিফলন। আগামী দিনে তার সরকার অর্থনীতি, কূটনীতি ও গণতান্ত্রিক সংস্কারে কতটা সফল হয়, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৬ সালের বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রকাশিত বার্ষিক এ তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এ স্বীকৃতি তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। টাইম ম্যাগাজিনে তারেক রহমানকে নিয়ে মুখবন্ধ লিখেছেন ম্যাগাজিনটির সিঙ্গাপুর ব্যুরো অফিসের সম্পাদক ও ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক চার্লি ক্যাম্পবেল। সেখানে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা, তারেক রহমানের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এবং ক্ষমতায় আসার প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়। মুখবন্ধে বলা হয়, কয়েক মাস আগেও দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকার পর ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন। বিরোধী রাজনীতির একজন নেতা থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসা তার জন্য বড় রূপান্তর হিসেবে উল্লেখ করা হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বড় জয় অর্জনের মাধ্যমে তিনি ১৭ বছর পর দেশে ফেরেন এবং সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেন। এ বিজয়কে তার রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখেছে আন্তর্জাতিক মহল। একই সঙ্গে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু ব্যক্তিগতভাবে তাকে গভীর শোকের মধ্যে ফেলে। টাইমকে দেওয়া জানুয়ারির এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, তিনি ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে চান। রাজনৈতিক বিভাজন কমিয়ে নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করাই তার অন্যতম লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সামনে বিদ্যমান নানা অর্থনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জও তুলে ধরা হয়। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, যুব বেকারত্ব, বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনকে তাৎক্ষণিক সমাধানযোগ্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৭ কোটির বেশি মানুষের দেশের জন্য এসব সংকট মোকাবিলা নতুন সরকারের সামনে বড় পরীক্ষা বলেও মন্তব্য করা হয়। টাইমের ভাষ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের রাজনৈতিক যাত্রা সহজ ছিল না। অতীতে তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছিল, যদিও আদালতে সেসব অভিযোগ খারিজ হয়েছে। তবুও তার নেতৃত্বের শুরুর সময়ে এ বিষয়গুলো আলোচনায় থাকতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে একই সঙ্গে ম্যাগাজিনটি বলেছে, দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তিনি দ্রুত কাজ শুরু করতে আগ্রহী এবং সময় নষ্ট করতে চান না। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, অর্থনীতি স্থিতিশীল করা এবং রাজনৈতিক সমঝোতার পরিবেশ তৈরির বিষয়গুলো তার সরকারের জন্য অগ্রাধিকার হতে পারে। বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রতিবছর রাজনীতি, ব্যবসা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সামাজিক নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের স্থান দেয় টাইম ম্যাগাজিন। এ তালিকায় অন্তর্ভুক্তি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যক্তির প্রভাব ও গুরুত্বের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশের একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এ অন্তর্ভুক্তি দেশের রাজনীতিকে বৈশ্বিক আলোচনায় নতুনভাবে সামনে এনেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বাংলাদেশের চলমান পরিবর্তন ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতিও আন্তর্জাতিক আগ্রহের প্রতিফলন। আগামী দিনে তার সরকার অর্থনীতি, কূটনীতি ও গণতান্ত্রিক সংস্কারে কতটা সফল হয়, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।