চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলায় জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু করা হয়েছে উপজেলার চারটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র।কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়সহ বিভিন্ন কারণে উপজেলার বেশ কয়েকটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ মানুষ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। তবে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা এবং নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে নানা প্রতিবন্ধকতা দূর করে পুনরায় চালু করা হয়েছে এসব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র।নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তৌহিদুল আলম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও সেবার পরিধি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাঁর সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে দীর্ঘদিন অচল থাকা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো পুনরায় চালুর কার্যক্রম শুরু হয় এবং সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়।পুনরায় চালুর পূর্বে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা হয়। এর মধ্যে বৈদ্যুতিক সংযোগ সচলকরণ, পানি সরবরাহ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন, স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং অন্যান্য জরুরি সংস্কার কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত ছিল। উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসন, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কেন্দ্রগুলো পুনরায় জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদান শুরু করেছে।পুনরায় চালু হওয়া উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো হলো—নানুপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রলেলাং উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রফতেপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রকাঞ্চননগর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রএ উদ্যোগের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার হাজারো মানুষ এখন নিজ এলাকার কাছাকাছি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপর রোগীর চাপ কমার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অঙ্গীকার—“সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা, সবার দোরগোড়ায়।”