শয়তানের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষার দুটি আমল
পরকালীন সফলতা অর্জনের জন্য আল্লাহর নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি রাসুল (সা.)-এর অনুসরণও অপরিহার্য। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, আল্লাহকে ভালোবাসার দাবি সত্য করতে হলে রাসুল (সা.)-এর অনুসরণ করতে হবে; তবেই আল্লাহ বান্দাকে ভালোবাসবেন এবং তার গুনাহ ক্ষমা করবেন।ইসলামি বর্ণনা অনুযায়ী, শয়তান সবসময় মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এমনকি বিশ্বাস ও সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে সন্দেহ তৈরিরও চেষ্টা করে। এ কারণে হাদিসে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।শয়তানের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষার জন্য দুটি আমলের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রথমত, নিয়মিত সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত তিলাওয়াত করা। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আসমান-জমিন সৃষ্টির বহু আগে আল্লাহ তাআলা একটি কিতাবে এই আয়াত দুটি লিপিবদ্ধ করেছিলেন। যে ঘরে পরপর তিন রাত সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করা হয়, সেখানে শয়তান প্রবেশ করতে পারে না।দ্বিতীয়ত, আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়ে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করা। রাসুল (সা.) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি কোনো স্থানে অবস্থান গ্রহণের পর যদি এই দোয়া পড়ে, তাহলে সে স্থান ত্যাগ করার আগ পর্যন্ত কোনো অনিষ্ট তার ক্ষতি করতে পারবে না।দোয়াটি হলো:أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَউচ্চারণ: আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।অর্থ: আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার সব অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
নিয়মিত নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত এবং এসব আমলের মাধ্যমে একজন মুমিন শয়তানের কুমন্ত্রণা ও অনিষ্ট থেকে আল্লাহর সুরক্ষা কামনা করতে পারেন।