ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

দাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ৬ বাংলাদেশি

সুদানের কাদুগলিতে জাতিসংঘের আবেই অঞ্চলের অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা বাহিনীতে দায়িত্ব পালনকালে নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ দাগ হ্যামারশোল্ড পদক প্রদান করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে স্থানীয় সময় শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের এই সম্মাননা দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পদকগুলো জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরীর হাতে তুলে দেন। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সাহস, আত্মত্যাগ ও নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।সম্মাননাপ্রাপ্ত শান্তিরক্ষীরা হলেন করপোরাল মো. মাসুদ রানা, প্রাইভেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইভেট মো. সবুজ মিয়া, প্রাইভেট মো. মোমিনুল ইসলাম, প্রাইভেট শামীম রেজা এবং প্রাইভেট সান্তো মন্ডল। তারা ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘের পতাকাতলে দায়িত্ব পালনের সময় এক ড্রোন হামলায় নিহত হন।অনুষ্ঠানে ১৯৪৮ সাল থেকে বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে নিহত প্রায় সাড়ে চার হাজার শান্তিরক্ষীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। একই সঙ্গে বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন মিশনে কর্মরত ৫০ হাজারের বেশি শান্তিরক্ষীর অবদানের কথাও তুলে ধরেন মহাসচিব।চলতি বছর ৩৩টি সদস্য রাষ্ট্রের ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর দাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত করা হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে নিহত শান্তিরক্ষীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক বইতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী। ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ দাগ হ্যামারশোল্ড পদক চালু করে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে নিহত সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যদের অবদান ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ এই মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

দাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ৬ বাংলাদেশি