গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সর্বপ্রথম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বেইমানি করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে নিজের গ্রাম ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী মুরারীদহ এলাকার ‘মিয়ার দালান’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।রাশেদ খান বলেন, ‘ডা. শফিকুর রহমানকে এতদিন মজলুম নেতা হিসেবে জানতাম। তবে তিনি যে মুখোশধারী ছিলেন, তা গণঅভ্যুত্থানের পরই স্পষ্ট হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের পর তার প্রথম কার্যক্রম ছিল নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা। অর্থাৎ গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি তিনিই করেছেন।’তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় আসার জন্য এমন কোনো অন্যায়, অপরাধ, মিথ্যাচার ও মুনাফেকি নেই, যা তারা করেনি। নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী জান্নাতের টিকিট বিক্রি করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাশেদ খান বলেন, ‘জনগণ এখন বুঝতে পেরেছে, এ দেশের যত ইতিবাচক পরিবর্তন, তার পেছনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা রয়েছে। একইভাবে আগামীর বাংলাদেশের পরিবর্তনও হবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে।’জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন রাশেদ খান।তিনি বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত নাহিদ ইসলাম একদম সঠিক পথেই ছিলেন। কিন্তু যে মুহূর্তে তিনি জামায়াতে ইসলামীর ফাঁদে পা দিয়েছেন, ঠিক তখন থেকেই তিনি বিপথগামী হয়েছেন।’এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।