যারা জিয়া পরিবারের নাম মুছে ফেলতে চেয়েছিল, তারা এখন দেশে নেই: তাহসিনা

07 Nov 2026, 19:31 · সুবল চন্দ্র দাস — ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি

যারা জিয়া পরিবারের নাম মুছে ফেলতে চেয়েছিল, তারা এখন দেশে নেই: তাহসিনা রুশদীর লুনা
সুবল চন্দ্র দাস, ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি::
সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাঙালি জাতির জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক সিপাহি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন। সংকটময় সেই সময়ে তিনি দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করে জাতীয়তাবাদের দর্শন উপহার দেন। বিভিন্ন ধর্ম ও পেশার মানুষকে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তাঁর ১৯ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন এবং বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ থেকে মুক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র হয়েছে। এ সময়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হয়নি। জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরি তারেক রহমান বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। যারা জিয়া পরিবারের নাম মুছে ফেলতে চেয়েছিল, তারা এখন দেশে নেই।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দক্ষিণ গোয়ালাবাজারে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে পরিকল্পনা নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়েছিলেন, সেই পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩১ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি সাবেক সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলীকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পাওয়ার দাবি জানান।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম.টিএম ফখর উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মিছবাহর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফজল আহমদ জনি, কৃষক দলের আহ্বায়ক মুক্তার আহমদ বকুল, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রকিব আলী ও ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুয়েব আহমদ।
সভায় উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে একটি র‌্যালি দক্ষিণ গোয়ালাবাজার থেকে বের হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে উত্তর গোয়ালাবাজারে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।