পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের মধ্যে বুধবার, ৪ নভেম্বর দেশের প্রায় ৩৭০টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছেন শিল্পমালিক ও বিজিএমইএর প্রতিনিধিরা। শ্রমিক অসন্তোষ এবং নতুন করে অস্থিরতার আশঙ্কায় এসব প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালানো সম্ভব হয়নি। একই দিনে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নতুন করে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেওয়ার খবরও পাওয়া গেছে। তবে আগের দুই দিনের তুলনায় বুধবার উৎপাদন বন্ধ থাকা কারখানার সংখ্যা কমেছে।
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিন The Business Standard-কে জানিয়েছেন, তাঁদের হিসাবে প্রায় ৩৭০টি কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবুও আগের দিনের তুলনায় কারখানা বন্ধের সংখ্যা কমার তথ্য দিয়েছেন। শিল্পমালিকদের হিসাবে মঙ্গলবার প্রায় ৬০০ এবং সোমবার প্রায় ৭০০ কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল। বিক্ষোভের প্রভাব গাজীপুর, সাভার, ময়মনসিংহ, মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পড়েছে।
নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকরের সময় নিয়ে সমঝোতা হলেও শ্রমিকদের প্রত্যাশিত মজুরির অঙ্ক এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকলে শ্রমিকদের আয়, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সরবরাহসূচি এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে পণ্য পৌঁছানোর প্রক্রিয়ায় চাপ তৈরি হতে পারে। তবে প্রায় ৩৭০টি প্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়েছে—এমন তথ্য নেই। এই সংখ্যাটি বুধবার উৎপাদন স্থগিত থাকার বিষয়ে শিল্পমালিকদের দেওয়া হিসাব।
